কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫ এ ১১:৫৯ PM
কন্টেন্ট: খবর প্রকাশের তারিখ: ২৬-১১-২০২৫ আর্কাইভ তারিখ: ০১-০১-২০৩১
২৬ নভেম্বর ২০২৫ এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘সরকারি ক্রয়ে এমএসএমই উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ’ সেমিনার আয়োজন।

২৬ নভেম্বর ২০২৫ রাজধানীর সোবহানবাগে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)-এর সম্মেলন কক্ষে এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন জনাব মো. মুসফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব এস. এম. মঈন উদ্দীন আহম্মেদ। প্যানেল আলোচক ছিলেন মমতা কোহলি, রিজিওনাল হেড, ইউএনডিপি এবং নাশিবা সেলিম, কান্ট্রি হেড, এডিবি। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আনোয়ার হোসেন চৌধুরী। সেমিনার সঞ্চালনা করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন। এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন মো. মুসফিকুর রহমান বলেন, বিশ্বব্যাপী গবেষণা বলছে, সরকারি ক্রয়ে অতি ক্ষুদ্র, নারী ও নতুন উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ ১% বাড়লে নতুন কর্মসংস্থান হয় প্রায় ৩০–৫০ হাজার। আর ১০ শতাংশ বাড়লে নতুন কর্মসংস্থান হবে প্রায় ১০ লাখ মানুষের। পাশাপাশি নারী-মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি হলে সমতাভিত্তিক অর্থনীতি ও পরিবারিক আয়ের প্রবৃদ্ধি হয় এবং নতুন প্রতিষ্ঠানের জন্য বাজার উন্মুক্ত হলে উদ্ভাবন, নতুন প্রযুক্তি ও স্থানীয় শিল্প বিস্তার লাভ করে। তাই সকল এসএমই উদ্যোক্তার তথ্য সম্বলিত একটি রেজিস্ট্রেশন প্ল্যাটফর্ম প্রস্তুত করা যায়, যা সারাদেশের সরকারি-বেসরকারি ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি সোর্স হিসেবে বিবেচিত হবে। বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি’র আর্থিক সহযোগিতায় এসএমই ফাউন্ডেশন এই প্ল্যাটফর্ম তৈরী করতে পারে। সেমিনারে জানানো হয়, ইন্দোনেশিয়ায় এসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারি ক্রয়ে শতকরা ৪০ ভাগ কোটা নির্ধারিত আছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে ২৩%, ভারতে ২৫%, ব্রাজিলে ২০%, কেনিয়ায় ৩০% এবং যুক্তরাজ্যে ৩৩% কোটা সুবিধা রয়েছে। এসব দেশ ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছে, সরকারি ক্রয়ে এমএসএমই উদ্যোক্তাদের জোরালো অংশগ্রহণ অর্থনীতিকে গতিশীল করে। বাংলাদেশও সেই সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে। বাংলাদেশে সরকারি ক্রয় মোট জাতীয় বাজেটের ৪৫% এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির ৮০% সরকারি ক্রয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এই বিশাল বাজারে যদি এমএসএমই, নারী-মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ও নতুন উদ্যোক্তাদের কার্যকর অং প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে, বৈচিত্র্যময় শিল্পায়ন ঘটবে, কর্মসংস্থান ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে, এবং উদ্যোক্তা-বান্ধব ও টেকসই অর্থনীতি গড়ে উঠবে।